স্বদেশ ডেস্ক: প্রায় একই বক্তব্য ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের প্রভাস প্রসূণ গিরির। তিনি বলেন, “এই রোগ নির্ণয় করতে জেনেটিক পরীক্ষা দরকার। রোগ নির্ণয় করতে জেনেটিক পরীক্ষা ছাড়া উপায়ও নেই। তবে পটাশিয়াম এবং অন্য টেস্ট করে বুঝতে হবে। দেরি করলে প্রাণ বাঁচানো মুশকিল হতে পারে। তবে চিকিৎসার সহজ ওষুধ আছে।”
অন্যদিকে, গিরিশ সিঙ্ঘানিয়ার ব্যাখা যে, এই Hypokalemic Periodic Paralysis রং আক্রান্তের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনক ভাবে কমে যায়। একইসঙ্গে আক্রান্ত অঙ্গের পেশিতে পটাশিয়াম মাত্রা বেড়ে যায়। তিনি আরও যোগ করে বলেন যে, “জেনেটিক পরীক্ষা করা হয় রোগের নির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করতে। তবে, ইসিজি করে আর পটাশিয়ামের মাত্রা পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর চেষ্টা করি। কারণ, দেরি হলে আক্রান্ত শিশুদের হার্ট বিকল হতে পারে শুধুমাত্র পটাশিয়াম ঘাটতির জন্য।”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিরিশের সহযোগী গবেষক এবং মেডিক্যাল কলেজ কলকাতার প্রাক্তনী অরুণ চৌধুরীর কথায়, “খাবারে নুনের অতিরিক্ত বেরিয়াম থেকে বেরিয়াম বিষক্রিয়া হলেও একইভাবে মানুষ আক্রান্ত হয়। চিনের জেকওয়ান প্রদেশ আবার ওই রোগের নাম পা পিং।”