গাজা উপত্যকায় পশ্চিমা সমর্থিত ইসরাইলি গণহত্যা তার সবচেয়ে মারাত্মক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং বিশ্ব এখনো ঘুমিয়ে রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০ প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, যাদের অধিকাংশই মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষের মধ্যে ক্ষুধার যন্ত্রণায়
কথিত আছে যে এক হিংসুটে লোক তার প্রতিবেশীকে বলছে, ‘তোমার ছেলে পরীক্ষায় পাস করবে না।’ ছেলেটি যখন পরীক্ষায় পাস দিল, তখন ছেলের বাবাকে বলা হলো, ‘পাস দিয়েছে তো কী হয়েছে,
কেবল জুলাই–আগস্ট মাসে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই কি লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন? আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ জুলুমের ইতিহাস থেকে মানুষের মনে যে ক্ষত জন্ম নিয়েছিল, সেখান থেকেও অনেকে পথে নেমেছেন।
আরেক দফা সংকটে পড়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। নতুন মহাসচিব নিয়োগ দেওয়ার পর তা উদোম হয়ে পড়েছে। গত ২৮ জুন দলের জাতীয় সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন জি এম কাদের। এর মধ্যেই তাঁকে
আধুনিক যুগে তথ্য ও প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের কারণে জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজেই বিভিন্ন তথ্যে প্রবেশ করতে পারছে। কিন্তু এ
সমাজ ও বৃহত্তরভাবে রাষ্ট্র মেরামত কিংবা পরিবর্তনের জন্য যেসব কাঙ্ক্ষিত বা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়, মূলত সেগুলোকেই সংস্কার বা ‘রিফর্ম’ বলা হয়। দেশের সংবিধান থেকে শুরু করে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন
সংস্কারের প্রয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি কমিশন গঠন করেছে, কিন্তু তারা শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে কোনো কমিশন যে গঠন করেনি, এ জন্য অবশ্যই প্রশংসা দাবি করতে পারে। আমাদের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই
গাজার ফিলিস্তিনিরা ২০ মাসের অবরোধ, স্থানচ্যুতি ও গণহত্যার পরও যেভাবে নিজেদের ভূমিতে টিকে থাকার অদম্য ইচ্ছাশক্তি দেখাচ্ছেন, সে বিপরীতে ইসরায়েলি ইহুদিরা এখন মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়ার পথ খুঁজছেন। গাজায় সহায়তা